সমপ্রতি জিমেইলে নতুন কিছু সুবিধা দিয়েছে এগুলো হচ্ছে মেইলের সাথে আমন্ত্রণ জানানো, ড্রাগ ড্রপের মাধ্যমে ফাইল এ্যাটাচ করা, সাব লেবেল তৈরী করা এবং মেইলে প্রবেশ না করেই মেইলের সারাংশ দেখা।
ইনভাইটেশন (আমন্ত্রণ): জিমেইলে মেইল করতে গেলে সাবজেক্টের নিচে Attach a file এর ডানে Insert: invitation নামে নতুন একটি লিংক আছে। এই invitation এ ক্লিক করে ডায়ালগ বক্সে আমন্ত্রণের বিষয়, তারিখ এবং সময়, স্থান ইত্যাদি লিখে ক্যালেণ্ডার নির্বাচন করুন এবং নিচের Insert invitation বাটনে ক্লিক করুন তাহলে মেইলের বডিতে সংযুক্ত হবে। এবার যাকে যাকে এই মেইল করবেন তাদের নাম এই আমন্ত্রণে সয়ংক্রিয়ভাবে যুক্ত হবে। কোন পরিবর্তন করতে চাইলে মেইলের বডিতে থাকা ইনভাইটেশনের উপরে মাউস ধরে Edit এ ক্লিক করে পরিবর্তন করতে পারবেন।
ড্রাগ ড্রপ এ্যাটাচমেন্ট: মেইলে কোন ফাইল এ্যাটাচ করতে হলে তা ব্রাউজ করে যুক্ত করতে হয়। কিন্তু জিমেইলে উক্ত ফাইলটি ড্রাগ করে এনে মেইলের উপরে ধরলে Drop Files Here আসলে ফাইলটি ছেড়ে দিলেই এ্যাটাচ শুরু হবে।
নেস্টেড লেবেল: জিমেইলের লেবেলর ভিতরে আরেকটি লেবেল পদ্ধতি হচ্ছে নেস্টেড লেবেল। নেস্টেড লেবেল সক্রিয় করতে হলে সেটিং থেকে ল্যাব ট্যাবে গিয়ে Nested Labels এর Enable বাটন চেক করে সেভ করতে হবে। এখন যদি Home লেবেলের ভিতরে Family লেবেল তৈরী করতে চাইলে লেবেল গিসাবে Home/Family লিখলেই হবে। এভাবে পূর্বের লেবেলগুলোও সম্পাদনা করা যাবে।
ম্যাসেজ স্ন্যাক পিক: জিমেইলের কোন মেইলের ভিতরে না ঢুকেই মেইলের মূল অংশ দেখা যাবে এই সুবিধার মাধ্যমে। এজন্য জিমেইলে সেটিং থেকে ল্যাব ট্যাবে গিয়ে Message Sneak Peek এর Enable বাটন চেক করে সেভ করলে কোন মেইলের উপরে মাউসের ডান বাটন ক্লিক করলে মেইলের অভ্যন্তরের কিছু অংশ পড়া যাবে।
সমপ্রতি জিমেইলে নতুন কিছু সুবিধা দিয়েছে এগুলো হচ্ছে মেইলের সাথে আমন্ত্রণ জানানো, ড্রাগ ড্রপের মাধ্যমে ফাইল এ্যাটাচ করা, সাব লেবেল তৈরী করা এবং মেইলে প্রবেশ না করেই মেইলের সারাংশ দেখা।
ইনভাইটেশন (আমন্ত্রণ): জিমেইলে মেইল করতে গেলে সাবজেক্টের নিচে Attach a file এর ডানে Insert: invitation নামে নতুন একটি লিংক আছে। এই invitation এ ক্লিক করে ডায়ালগ বক্সে আমন্ত্রণের বিষয়, তারিখ এবং সময়, স্থান ইত্যাদি লিখে ক্যালেণ্ডার নির্বাচন করুন এবং নিচের Insert invitation বাটনে ক্লিক করুন তাহলে মেইলের বডিতে সংযুক্ত হবে। এবার যাকে যাকে এই মেইল করবেন তাদের নাম এই আমন্ত্রণে সয়ংক্রিয়ভাবে যুক্ত হবে। কোন পরিবর্তন করতে চাইলে মেইলের বডিতে থাকা ইনভাইটেশনের উপরে মাউস ধরে Edit এ ক্লিক করে পরিবর্তন করতে পারবেন।
ড্রাগ ড্রপ এ্যাটাচমেন্ট: মেইলে কোন ফাইল এ্যাটাচ করতে হলে তা ব্রাউজ করে যুক্ত করতে হয়। কিন্তু জিমেইলে উক্ত ফাইলটি ড্রাগ করে এনে মেইলের উপরে ধরলে Drop Files Here আসলে ফাইলটি ছেড়ে দিলেই এ্যাটাচ শুরু হবে।
নেস্টেড লেবেল: জিমেইলের লেবেলর ভিতরে আরেকটি লেবেল পদ্ধতি হচ্ছে নেস্টেড লেবেল। নেস্টেড লেবেল সক্রিয় করতে হলে সেটিং থেকে ল্যাব ট্যাবে গিয়ে Nested Labels এর Enable বাটন চেক করে সেভ করতে হবে। এখন যদি Home লেবেলের ভিতরে Family লেবেল তৈরী করতে চাইলে লেবেল গিসাবে Home/Family লিখলেই হবে। এভাবে পূর্বের লেবেলগুলোও সম্পাদনা করা যাবে।
ম্যাসেজ স্ন্যাক পিক: জিমেইলের কোন মেইলের ভিতরে না ঢুকেই মেইলের মূল অংশ দেখা যাবে এই সুবিধার মাধ্যমে। এজন্য জিমেইলে সেটিং থেকে ল্যাব ট্যাবে গিয়ে Message Sneak Peek এর Enable বাটন চেক করে সেভ করলে কোন মেইলের উপরে মাউসের ডান বাটন ক্লিক করলে মেইলের অভ্যন্তরের কিছু অংশ পড়া যাবে।
মাইক্রোসফট অফিস কম্পিউটারে ব্যবহূত প্রোগ্রামগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়। অফিস ২০১০-এর কিছু প্রোগ্রামের সমন্বয়ে সম্প্রতি মাইক্রোসফট তাদের অফিস নামের গুচ্ছ সফটওয়্যার ইন্টারনেটে ব্যবহার করার জন্য উন্মুক্ত করে দিয়েছে।
‘মাইক্রোসফট অফিস ওয়েব অ্যাপস-২০১০’ নামের এই সেবাটি ব্যবহার করা যাবে স্কাইড্রাইভের সঙ্গে। উইন্ডোজ লাইভ অ্যাকাউন্ট রয়েছে এমন ব্যবহারকারীরা অনেক দিন থেকেই স্কাইড্রাইভ অনলাইন স্টোরেজ সেবাটি ব্যবহার করে আসছেন। স্কাইড্রাইভের ২৫ গিগাবাইট জায়গায় ব্যবহারকারীরা ব্যক্তিগত ফাইল, ছবি বা ভিডিও ফাইল রাখার কাজে ব্যবহার করতে পারেন। এবার ফাইল রাখার এই ব্যবস্থার সঙ্গে এমএস অফিস ব্যবহারের সুবিধাও যুক্ত করা হয়েছে। মাইক্রোসফট অফিস ওয়েব অ্যাপস-২০১০ ব্যবহার করা যাবে http://office.live.com ঠিকানার ওয়েবসাইট থেকে। তবে এটি ব্যবহার করার জন্য উইন্ডোজ লাইভ অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে। নতুন ব্যবহারকারীরা বিনামূল্যে অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে পারবেন http://home.live.com ঠিকানার ওয়েবসাইট থেকে। মাইক্রোসফট অফিস-২০১০ থেকে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড-২০১০, এক্সেল-২০১০, পাওয়ার পয়েন্ট-২০১০, এবং ওয়ান নোট-২০১০ প্রোগ্রামগুলো এখানে ব্যবহার করার সুযোগ পাওয়া যাবে। তবে এর জন্য কম্পিউটারে মাইক্রোসফট অফিস-২০১০-এর ডেক্সটপ সংস্করণ ইনস্টল করার প্রয়োজন হবে না। ওয়েব ব্রাউজার থেকেই বিনা মূল্যে এটি ব্যবহার করা যাবে। মাইক্রোসফট সিলভার লাইট ইনস্টল করা থাকলে ওয়েব প্রোগ্রামগুলো ব্যবহার করার ক্ষেত্রে বিশেষ কিছু সুবিধা পাওয়া যাবে। সিলভার লাইট www.microsoft.com/ getsilverlight/get-started/install/default.aspx ঠিকানার ওয়েবসাইট থেকে নামানো (ডাউনলোড) যাবে। ডেস্কটপের অফিস-২০১০-এর সঙ্গে সমন্বয় করার সুবিধাও যুক্ত করা হয়েছে এখানে। এটি এখনো পরীক্ষামূলক পর্যায়ে রয়েছে তাই ব্যবহার করার সময় কিছুটা সমস্যাও হতে পারে। তবে এই সমস্যাগুলো সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে, কিছু দিনের মধ্যেই আরও নতুন বেশকিছু বৈশিষ্ট্য সংযোজন করা হবে।