প্রোগ্রাম আনইনস্টল না করা গেলে

উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে বেশীর ভাই প্রোগ্রামই ইনস্টল করে ব্যবহার করতে হয়, আবার দরকার না পরলে এ্যাড রিমুভ প্রোগ্রামস থেকে আনইনস্টল করতে হলে ফলে উক্ত প্রোগ্রামসে সাথে থাকা ফাইলগুলো মুছে যায় যা সাধারণ ভাবে ডিলিট করা সম্ভব হয়ে উঠে না। কিন্তু অনেক সময় কিছু কিছু প্রোগ্রাম আনইনস্টল করা যায় না। এ সমস্যা হয় সাধারণত ভাইরাস বা অন্য কারণে আইনস্টল ফাইল বা অন্য কোন লাইব্রেরী ফাইল মুছে গেলে বা নষ্ট হলে। ফলে এ্যাড রিমুভ প্রোগ্রামস থেকে উক্ত প্রোগ্রামটি সরানো যায় না। এমতবস্থায় ইনস্টল করার প্রোগ্রামটি স্থায়ীভাবে মুছতে বিভিন্ন থার্টপাটি আনইনস্টলার ব্যবহার করা যেতে পারে। এধরনের সফটওয়্যারগুলো মধ্যে একটি হচ্ছে সিক্লিনার। ফ্রিওয়্যার, বহনযোগ্য এই সফটওয়্যারটি www.ccleaner.com থেকে ডাউনলোড করে নিন। এবার সফটওয়্যারটি চালু করে Tools>Uninstall এ গিয়ে উক্ত প্রোগ্রামটি নির্বাচন করে Delete Entry বাটনে ক্লিক করে মুছে দিন তাহলে দেখবেন এ্যাড রিমুভ প্রোগ্রামসে উক্ত প্রোগ্রামটি আর নেই। কিন্তু প্রোগ্রামটি যদি রেজিস্ট্রিতে থাকে তাহলে ভবিষ্যতে নতুন করে ইনস্টল করতে গেলে সমস্যা হতে পারে। এজন্য রেজিস্ট্রি থেকেও প্রোগ্রামটি মুছে ফেলতে পারেন। রেজিস্ট্রি ক্লিনার সফটওয়্যারটি www.worldstart.com থেকে ডাউনলোড করে ইনস্টল করে চালু করুন। এবার উক্ত প্রোগ্রামের নাম নির্বাচন করে Remove Selected বাটনে ক্লিক করুন। ব্যাস রেজিস্টি থেকেও প্রোগ্রামটির তথ্য মুছে যাবে।

উইন্ডোজের ফাইল নষ্ট হলে করনিয়

অনেক সময় উইন্ডোজ এক্সপির .dll (ডাউনামিক লিংক লাইব্রেরী) বা .sys (সিস্টেম) ফাইল নষ্ট হলে অথবা মুছে গেলে উইন্ডোজ খোলে না। এসব ফাইলগুলো সাধারণত WINDOWS\system32 এবং WINDOWS\system32\drivers এর মধ্যে থাকে। সেক্ষেত্রে কম্পিউটার চালু করলে কালো পর্দায় নষ্ট হওয়ার ফাইলের নাম এবং লোকেশন দেখায় এবং উইন্ডোজ রিপিয়ার করার পরামর্শ দেয়। এমতবস্থায় ব্যবহারকারীদের উইন্ডোজ নতুন করে ইনস্টল করা বা রিপিয়ার করা ছাড়া অন্য কোন পথ থাকে না। কিন্তু ব্যবহারকারীর কাছে যদি উইন্ডোজ এক্সপির লাইভ সিডি থাকে তাহলে নষ্ট/মুছে যাওয়া ফাইলটি পুনস্থাপন করলেই হবে। খুব সহজেই নিজে উইন্ডোজ এক্সপির লাইভ সিডি তৈরী করতে পারবেন। উইন্ডোজ এক্সপির লাইভ সিডি তৈরী করার পদ্ধতি পাবেন www.shamokaldarpon.com/?p=675 ঠিকানায়। এবার উইন্ডোজ এক্সপির লাইভ সিডি দ্বারা কম্পিউটার চালু করুন এবং সিডি ড্রাইভ থেকে I386 ফোল্ডারে যান, যা সাধারণ উইন্ডোজ এক্সপির WINDOWS ফোল্ডার। এবার প্রয়োজনীয় ফাইল কপি করে মূল উইন্ডোজের ফোল্ডারে প্রতিস্থাপন করে রিস্টর্ট করুন। এবার দেখুন উইন্ডোজ স্বাভাবিকভাবে চালু হচ্ছে।

উইন্ডোজের জন্য দারুন এক টোয়ীক সফটওয়্যার

উইন্ডোজ ব্যবহারকারীদের টুকিটাকি বিভিন্ন কাজে টোয়ীক সফটওয়্যার বেশ কাজে দেয়। এমনই একটি সফটওয়্যার হচ্ছে TweakNow PowerPack 2009| এই সফটওয়্যারে রয়েছে ডিক্স ক্লিনার, ডিক্স ইউজেস এনালাইজার, বিধিধ টুলস, রেজিস্ট্রি ক্লিনার, রেজিস্ট্রি ডিফ্রাগমেন্টার, স্টার্টআপ ম্যানেজার, সিস্টেম ইসফরমেশন, টার্ক ক্লিনার, আনইনস্টল প্রোগ্রামস, উইন্ডোজ সিকিউরিটি এবং রিস্টোর ব্যাকআপ সুবিধা। মানে এক সফটওয়্যারে প্রায় সকল সুবিধা। ৫.৪৬ মেগাবাইটের ফ্রিওয়্যার এই সফটওয়্যাটি www.tweaknow.com/powerPack.html থেকে ডাউনলোড করতে পারবেন। সফটওয়্যারটি উইন্ডোজ এক্সপিসহ পরবর্তী সকল সংস্করনের সকল বিটে চলবে।

Copyright © 2009 - www.techzoom7.tk - is proudly powered by Blogger
Smashing Magazine - Design Disease - Blog and Web - Dilectio Blogger Template