কি-বোর্ডের কোনো বোতাম নষ্ট হলে করণীয়

বিভিন্ন কারণে কম্পিউটার কি-বোর্ডের নির্দিষ্ট কোনো একটি বা একাধিক বোতাম (কি) নষ্ট হতে পারে। কিন্তু সেই বোতামের বিকল্প বোতাম যদি না থাকে, তাহলে কি-বোর্ড পরিবর্তন ছাড়া কোনো গতি থাকে না। তবে একটি সফটওয়্যার ব্যবহার করে নষ্ট বোতামের বিকল্প হিসেবে অন্য কোনো বোতাম ব্যবহার করা যেতে পারে।এ সফটওয়্যারটির নাম শার্প-কি।
শার্প-কি সফটওয়্যার দিয়ে ব্যবহারকারী চাইলে অন্য যেকোনো বোতামের অবস্থান (ম্যাপ) পরিবর্তন করে বিকল্প কি হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। অর্থাত্ কি-বোর্ডের বোতামটি রিম্যাপিং করে উইন্ডোজে বসাতে হবে। এ ছাড়া নির্দিষ্ট কোনো বোতাম ইচ্ছামতো পরিবর্তন বা নিষ্ক্রিয় করে রাখা যেতে পারে। মাত্র ২২ কিলোবাইটের (আনজিপ করার পর ৮৫) এই মুক্ত সফটওয়্যারটি www.randyrants.com ঠিকানার ওয়েবসাইট থেকে সংগ্রহ করে নিতে হবে। সফটওয়্যারটির প্রোগ্রামিং সংকেত পাওয়া যাবে www.codeplex.com\sharp-keys ঠিকানার ওয়েবসাইট থেকে।
ধরা যাক, আপনার কি-বোর্ডের ব্যাকস্পেস বোতাম নষ্ট হয়ে গেছে। আপনি চাইছেন ডানের কন্ট্রোল বোতামকে ব্যাকস্পেস হিসেবে ব্যবহার করবেন। এ জন্য সফটওয়্যারটি চালু করে অফ বাটনে ক্লিক করতে হবে। এবার বাঁ দিকের Map this key (Form key) প্যানেল ডানের কন্ট্রোল বোতামটি নির্বাচন করতে হবে। এবার ডান দিকের to this key (to key) প্যানেল থেকে ব্যাকস্পেস কি নির্বাচন করতে হবে। বোতাম নির্বাচনের সহজ উপায় হচ্ছে প্যানেলের নিচের Type key বাটনে ক্লিক করে ওই কি চাপলে ওই কির নাম চলে আসবে। এবার OK করলেই হবে। কোনো কি নিষ্ক্রিয় করতে চাইলে ডানের সবচেয়ে ওপরে Turn key off নির্বাচন করতে হবে। এবার OK বাটনে ক্লিক করলে sharp-keys-এর তালিকায় যুক্ত হবে। এভাবে আপনি আরও বোতাম যুক্ত করতে পারেন। এখান থেকে আগের নির্ধারণ করা বোতাম মুছে ফেলতে পারেন। সব শেষে রেজিস্ট্রিতে পরিবর্তন সেট করতে write to registry বাটনে ক্লিক করলে একটি মেসেজ আসবে। এবার কম্পিউটার বন্ধ করে আবার চালু করতে হবে।

কি-বোর্ডের কোনো বোতাম নষ্ট হলে করণীয়

বিভিন্ন কারণে কম্পিউটার কি-বোর্ডের নির্দিষ্ট কোনো একটি বা একাধিক বোতাম (কি) নষ্ট হতে পারে। কিন্তু সেই বোতামের বিকল্প বোতাম যদি না থাকে, তাহলে কি-বোর্ড পরিবর্তন ছাড়া কোনো গতি থাকে না। তবে একটি সফটওয়্যার ব্যবহার করে নষ্ট বোতামের বিকল্প হিসেবে অন্য কোনো বোতাম ব্যবহার করা যেতে পারে।এ সফটওয়্যারটির নাম শার্প-কি।
শার্প-কি সফটওয়্যার দিয়ে ব্যবহারকারী চাইলে অন্য যেকোনো বোতামের অবস্থান (ম্যাপ) পরিবর্তন করে বিকল্প কি হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। অর্থাত্ কি-বোর্ডের বোতামটি রিম্যাপিং করে উইন্ডোজে বসাতে হবে। এ ছাড়া নির্দিষ্ট কোনো বোতাম ইচ্ছামতো পরিবর্তন বা নিষ্ক্রিয় করে রাখা যেতে পারে। মাত্র ২২ কিলোবাইটের (আনজিপ করার পর ৮৫) এই মুক্ত সফটওয়্যারটি www.randyrants.com ঠিকানার ওয়েবসাইট থেকে সংগ্রহ করে নিতে হবে। সফটওয়্যারটির প্রোগ্রামিং সংকেত পাওয়া যাবে www.codeplex.com\sharp-keys ঠিকানার ওয়েবসাইট থেকে।
ধরা যাক, আপনার কি-বোর্ডের ব্যাকস্পেস বোতাম নষ্ট হয়ে গেছে। আপনি চাইছেন ডানের কন্ট্রোল বোতামকে ব্যাকস্পেস হিসেবে ব্যবহার করবেন। এ জন্য সফটওয়্যারটি চালু করে অফ বাটনে ক্লিক করতে হবে। এবার বাঁ দিকের Map this key (Form key) প্যানেল ডানের কন্ট্রোল বোতামটি নির্বাচন করতে হবে। এবার ডান দিকের to this key (to key) প্যানেল থেকে ব্যাকস্পেস কি নির্বাচন করতে হবে। বোতাম নির্বাচনের সহজ উপায় হচ্ছে প্যানেলের নিচের Type key বাটনে ক্লিক করে ওই কি চাপলে ওই কির নাম চলে আসবে। এবার OK করলেই হবে। কোনো কি নিষ্ক্রিয় করতে চাইলে ডানের সবচেয়ে ওপরে Turn key off নির্বাচন করতে হবে। এবার OK বাটনে ক্লিক করলে sharp-keys-এর তালিকায় যুক্ত হবে। এভাবে আপনি আরও বোতাম যুক্ত করতে পারেন। এখান থেকে আগের নির্ধারণ করা বোতাম মুছে ফেলতে পারেন। সব শেষে রেজিস্ট্রিতে পরিবর্তন সেট করতে write to registry বাটনে ক্লিক করলে একটি মেসেজ আসবে। এবার কম্পিউটার বন্ধ করে আবার চালু করতে হবে।

ইন্টারনেট ছাড়াই জিমেইল ব্যবহার

ইমেইল ক্লাইন্টের নাম আমরা সবাই শুনেছি অনেকেই আউটলুক, ইউডোরা, থান্ডারবার্ডের মত ইমেইল ক্লাইন্ট ব্যবহার করে থাকেন। মেইল ক্লাইন্টের মাধ্যমে পপ সুবিধা থাকা মেইলগুলো ওয়েব মেইল থেকে ডাউনলোড হয়ে মেইল ক্লাইন্টে চলে আসে ফলে ইন্টারনেট ছাড়াই ইমেইল পড়া এবং লিখে সেভ করে রাখা যায়। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে মেইল ক্লাইন্টে ওয়েবমেইলগুলো ডাউনলোড হয় ফলে ওয়েবমেইলে তা আর থাকে না, অন্য কোথাও থেকে আর পড়াও যায় না। যদিও জিমেইল পপ সুবিধা সাথে অনলাইনে মেইলের কপি রাখার ব্যবস্থা আছে। ফলে জিমেইল ব্যবহাকারীরা পপ সক্রিয় করে অন্য মেইল ক্লাইন্ট ব্যবহার করলে যে সুবিধা পেয়ে থাকে তাই পাওয়া যাবে জিমেইল অফলাইন দ্বারা। মূলত এটা জিমেইলকে অনলাইনের সাথে অফলাইনের যোগসূত্র তৈরী করে দিয়েছে। অফলাইনে জিমেইল ব্যবহার করতে হলে গুগল গিয়ার ইনস্টল করতে হবে। এজন্য http://gears.google.com থেকে গুগল গিয়ার ডাউনলোড করে ইনস্টল করে নিন। এবার জিমেইল খুলে সেটিংস থেকে Labs ট্যাবে যান এবং Offline এর Enable অপশন বাটন নির্বাচন করে Save Changes বাটনে ক্লিক করে সেভ করুন। সেভ হবার পরে জিমেইল পুনরাই সক্রিয়ভাবে লোড হবার পরে উপরের ডানে Offline0.2 এ ক্লিক করুন তাহলে Install offline access for Gmail ডায়ালগ বক্স আসবে এখানে Next করুন (যদি Gears Security Warning ডায়ালগ বক্স আসে তাহলে I trust this site চেক করে Allow বাটনে ক্লিক করুন।) এবং কোথায় কোথায় শটকাট নিবেন তা নির্বাচন করে Ok করুন, তাহলে ডাউনলোড (Finishing offline installation এবং পরে Synchronizing…) শুরু হবে। এটি মূলত ইউজারের Local Settings\Application Data এর মধ্যে সেভ হয়। সবশেষে Go into Flaky Connection Mode এ ক্লিক করুন। এরপরে ইন্টারনেট সংযোগ না থাকলেও তৈরী হওয়া শটকাটে ক্লিক করে অথবা https://mail.google.com/mail সাইটে গিয়ে মেইল পড়তে, লিখে সেভ করতে পারবেন। একই কম্পিউটারে, একই ব্রাউজারে, এভাবে একাধিক ইউজারের তথ্যও অফলাইন করে রাখা যাবে। এমনকি একই একাউন্ট একাধিক কম্পিউটারে অফলাইন করে রাখা যাবে। আর পোর্টেবল ফায়ারফক্সে ব্যবহার করলেতো কথাই নেই, ইচ্ছেমত বহন করা যাবে (সিডিতে রাইট করেও রাখা যাবে) আর অপারেটিং সিস্টেম পরিবর্তন বা নতুন করে ইনস্টল করলেও সমস্যা নেই। জিমইেল অফলাইন আপতত উইন্ডোজ (এক্সপি+), ম্যাক এবং লিনাক্সে ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার৬+, ফায়ারফক্স ১.৫+, সাফারিতে সর্মথন করবে। এছাড়াও সকল ধরনের তথ্যই জিমেইলের অফিসিয়াল ব্লগ http://gmailblog.blogspot.com থেকে পাওয়া যাবে।

Copyright © 2009 - www.techzoom7.tk - is proudly powered by Blogger
Smashing Magazine - Design Disease - Blog and Web - Dilectio Blogger Template